The Best Budget Gaming Laptop So Far 2016

There’s no such thing as a perfect budget gaming laptop, even in 2016, and we’ve found at least one serious flaw in every one we tested. But after spending 23 hours on research and testing—on top of 70 hours spread over the past two years—we’ve determined that the $800 Dell Inspiron 15 7000 (7559) is the best gaming laptop for people on a budget. It has all the specs you need for $350 less than its closest competitor, offering up the best gaming performance possible for the lowest price. The Inspiron keeps its components and underside at reasonable temperatures during demanding gaming sessions, and its fans are among the quietest we tested. Plus, the Dell can double as a very capable school or work laptop thanks to its good trackpad, long battery life, and decent screen.
The Dell Inspiron 15 7000 has amazing specs for the price and is easy to upgrade when your budget allows. The $800 configuration we recommend has a sixth-generation Intel Core i5-6300HQ processor, an Nvidia GeForce GTX 960M graphics card with 4 gigabytes of dedicated memory, 8 gigabytes of RAM, and a 256-gigabyte solid-state drive—that’s powerful enough to run Middle-earth: Shadow of Mordor on high settings, but you’ll have to step down to medium or lower on more trying titles like XCOM 2. To give you an idea of what a good deal this is it’s worth comparing it with the next-cheapest option that meets these specs: You could buy the Dell, add a 1TB hard driveand 8 GB of RAM, and still have more than $250 left to spend on games. (Or you could add another 500GB solid-state drive and 8 GB of RAM and have about $160 left over.) But the Dell’s keyboard is shallow—closer in feel to a MacBook Pro keyboard than a cushy gaming laptop—and got warm during gaming sessions. The keyboard is responsive, however, and good enough for most people playing games.

0 মন্তব্য(গুলি):

কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন


১. প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন।
২. Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
৩. কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না।
৪. রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন।
৫. বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
৬. কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ।
৭. কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
৮. প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
৯. অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
১০. ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল।
১১. নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।

১২.ঘন ঘন windows সেটআপ দিবেন না।এতে কম্পিউটারের তাতখনিক গতি বারলেও পরবর্তীতে মাদারবোড এ সমস্যা হতে পারে।

0 মন্তব্য(গুলি):

Sony Xperia X Premium

When it comes to smartphone displays there are various panels, gadgets and technologies on the market. Sometimes these are useful, but a lot of times their usefulness is questionable, such as with the 4K display of the Sony Xperia Z5 Premium. Its resolution is a huge 3,840 x 2,160 pixels, but in daily use it isn't activated often enough to reduce energy demand.


But now a report has surfaced on the tech site PhoneRadar and purports that Sony is working on an Xperia X Premium with Full-HD resolution. The report suggests that Sony wants to set a new record for display brightness. The 'White Magic LCD' would allow maximum brightness of 1,300 cd/m². By comparison, the display of Galaxy S7 and S7 Edge can reach a maximum value of 855 cd/m², according DisplayMate.

The bright display from Sony Xperia X Premium would therefore natively fit within High Dynamic Range (HDR). For photos and videos, this would provide better image reproduction thanks to an HDR display's high contrast and vibrant colors.
As nice as that sounds, once again, this could very well be useless display technology by our estimates. Just as the 4K display of the Sony Xperia Z5 Premium was, so too could the HDR display of the Xperia X Premium be effective only with certain applications, such as the photo gallery or video player. It's unlikely that this will provide great everyday usage at this stage.
Source: Android PIT









0 মন্তব্য(গুলি):

কিভাবে কিনবেন: একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড

আপনি একজন গেমার। একেবারে হার্ডকোর সিরিয়াস গেমার, নিত্য-নতুন রিলিজ হওয়া গেমগুলো খেলতে না পারলে আপনার দিন চলে না। আপনার দরকার কমপক্ষে একটি কোর-টু-ডুয়ো পিসি। দুই গিগা র‌্যাম তো মাস্ট। বিশাল আকারের হার্ড-ড্রাইভ। বেশ ভালো একটা মনিটর। একটা খুব ভালো গ্রাফিক্সকার্ডও লাগবে আপনার। যাকে অনেক সময় G P U বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বলা হয়। 

আপনার পিসি ডিভাইস গুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ হতে পারে যদি আপনি হন একজন হার্ডকোর গেমার। প্রসেসর, র‌্যাম কিংবা হার্ড-ড্রাইভ একটু এদিক-ওদিক হলেও চলে, কিন্তু গেমিং হলে গ্রাফিক্স কার্ডই সব। আপনার গেমের থ্রিডি ডিসপ্লের প্রতিটি ফ্রেম রেন্ডার করা হয় গ্রাফিক্স কার্ডের নিজস্ব প্রসেসর দ্বারা। একটা ভালো গ্রাফিক্স কার্ড কেনাটা সহজ নয়। আসুন, কিছু সহজ তথ্য জেনে নেই যেগুলো আশা করা যায় আপনাকে ভালো কাড ©বাছাই করতে সাহায্য করবে। 


মেমোরিই সব নয়... আপনার এমন একটি কার্ড অবশ্যই বাছাই করা উচিত যাতে মেমোরি তথা র‍্যাম  অনেক। আপনি বর্তমান বাজার অনুযায়ী ৫১২ মেগাবাইট অথবা ১ গিগাবাইট মেমোরি যুক্ত কার্ড কিনতে পারেন। তবে সবসমই মনে রাখবেন, মেমোরিই সব নয়। গ্রাফিক্স কার্ডের বাজারে এমন অনেক কার্ড পাবেন যাদের মেমোরি অনেক বেশি কিন্তু কাজের বেলায় ঠনঠনে। তবে বেশি মেমোরি সবসময়ই বাড়তি সুবিধা দিয়ে থাকে। 

গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট... মেমোরি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। তবে একটি গ্রাফিক্স কার্ডের হার্ট বলুন আর মস্তিস্ক বলুন, সবই হলো তার চিপ বা প্রসেসর। এটিই সবধরনের থ্রিডি গ্রাফিক্স রেন্ডার করে থাকে। বাজারে দুটি কোম্পানী আছে যারা এই চিপ গুলো বানাবার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে। ATI Radeon ও nVidia চিপ ম্যানুফ্যাকচারদের মধ্যে দানব স্বরুপ। কিন্তু আপনার প্রয়োজন মেটাবার জন্যে কেবল এটুকুই জানা যথেষ্ট নয় যে কার্ড ATI Radeon অথবা nVidia চিপ দিয়ে তৈরি। আপনাকে আরও কিছু জিনিস খেয়াল করতে হবে যেমন, GT, GS, GTX, XT, XTX ইত্যাদি। এই ইনিশিয়াল গুলো শুধুমাত্র অক্ষর নয় বরং তারা কার্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এর ব্যপারে তথ্য প্রকাশ করে। 

পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীড... একটি গ্রাফিক্স কার্ড এর দক্ষতা কতটুকু হতে পারে তার একটা ধারণা আপনি পেতে পারেন এর ক্লক-স্পীড ও পাইপলাইন এর মাত্রা হিসেব করে। ব্যপারটা অনেকটা এভাবেও দেখা যায়, পারফন্মমেন্স যদি হয় একটা হাইওয়ে দিয়ে ঘন্টায় কতগুলো গাড়ি ক্রস করতে পারে তবে পাইপলাইন হবে সেই হাইওয়ের লেন। যতবেশি লেন বিশিষ্ট হাইওয়ে হবে, ততবেশি গাড়ি ঘন্টায় ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারবে। আর ক্লক-স্পীডের তুলনা করা যায় ওই রোডের জন্যে গাড়ির স্পীড-লিমিট দিয়ে। যতবেশি স্পীডে গাড়ি যেতে পারবে, ততবেশি পরিমান গাড়ি একক সময়ে রাস্তা ক্রস করতে পারবে। এখন, এই রাস্তা দিয়ে কতগুলো গাড়ি যেতে পারবে তা নির্ভর করবে লেন সংখ্যা ও স্পীড-লিমিট এর স্বমন্বয়ের উপরে। সেভাবেই, গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষেত্রেও এর পারফন্মমেন্স অনেকাংশেই নির্ভর করবে এর পাইপলাইন এর পরিমান ও কার্ডের চিপের ক্লক-স্পীডের উপর। তবে পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীডের মাঝে তুলনা করতে গেলে দেখা যায় বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট কার্ডই বেশি ভালো ফলাফল দেয়। সাধারণত, প্রাথমিক লেভেলের কার্ডগুলো চারটি, মিড লেভেলের কার্ডগুলো আট থেকে বারো এবং হাই লেভেলের কার্ডগুলো ষোল বা তার থেকেও বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। 

অপারেটিং সিস্টেম ও ডাইরেক্ট এক্স... গ্রাফিক্স কার্ডের পারফন্মমেন্স বেশ খানিকটা নির্ভর করে সেটা কোন প্লাটফর্মে চলছে তার উপর। আজকালকার হাই-ফাই কার্ডগুলো উইন্ডোজ সিস্টেমের মধ্যে সবচেয়ে ভালো কাজ করে ভিস্তা ও ডাইরেক্ট-এক্স ১০ সমৃদ্ধ মেশিনগুলোতে। ডাইরেক্ট-এক্স ১০ এর বিশেষ বৈশিষ্ট হলো এটি গ্রাফিক্স কার্ড ও সিস্টেম এর মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে অত্যন্ত্য সাবলীল গতিতে। এছাড়াও আরও অনেক বিশেষ বিশেষ ফিচার আছে ডাইরেক্ট এক্স ১০ এর। সুতরাং কার্ড কিনবার সময় এটি ডাইরেক্ট এক্স ১০ সাপোর্টেড কিনা তা বুঝে নিন। 

গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার সবচেয়ে ভালো সময় বলে কিছু আছে? হ্যা। আপনি যদি একটু প্লান করে চলেন, তবে কম দামে তুলনামূলক ভালো কার্ড বাজার থেকে কিনতে পারবেন। কি সে প্ল্যান? এটা হলো সময়। ATI Radeon ও nVidia নিজেদের মাঝে প্রতিদ্বন্দিতা ও তাদের বাজার ধরে রাখার চেষ্টায় প্রতি ১২ থেকে ১৮ মাসের মাথায় একটি করে নতুন চিপ বাজারে নামায়। প্রতি চিপে আগেরটার তুলনায় বেশি ফিচার সাপোর্টেড। ফলাফল, নতুন চিপসহ কার্ডগুলো বাজারে আসা মাত্র পুরনোগুলোর দাম হুহু করে নেমে যায় অনেকখানি। ঠিক এই সময়টাতেই, নতুন রিলিজ হওয়া কার্ডগুলোর দিকে নজর না দিয়ে আপনি যদি তার আগের জেনারেশনের কার্ডগুলো ট্রাই করেন তবে লাভবান হবেন। বেশি দাম দিয়ে নতুন জেনারেশনের লো-এন্ড কার্ড না কিনে প্রায় সেই পরিমান টাকা খরচ করে আগের জেনারেশনের হাই-এন্ড কার্ড কেনাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। 


পাওয়ার সাপ্লাই: আপনি কি প্রস্তুত?... বর্তমানের গ্রাফিক্স কার্ডগুলো অত্যন্ত বেশি পরিমানে পাওয়ার হাঙ্গরী হয়ে পড়েছে। এখনকার একটি হাই-এন্ড কার্ড সমপূর্ণ ক্ষমতায় চলবার সময় প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ওয়াট পরিমান বিদ্যুৎ টানতে থাকে। উপযুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট না থাকলে আপনার পিসি সম্ভবত র্স্টাটই হবে না। বাজারে বর্তমানে অত্যন্ত্য দামী কিছু পাওয়ার সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো আপনার গ্রাফিক্স কার্ডেও ক্ষুধা মেটাতে পারবে। গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার আগে বক্সের গায়ে এর পাওয়ার ফ্যাক্টরগুলো দেখে নিন। কার্ডগুলো সাধারণত ৪০০ ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই এ ভালো রান করে থাকে। 

এসব ছাড়াও, আপনি আপনার নতুন কেনা গ্রাফিক্স কার্ডকে ভালো পরিবেশে রান করাতে পারবেন কিনা তা কিনবার আগেই চিন্তা করুন। ভালো কেসিং, ভালো কুলিং সিস্টেম ও ভালো পাওয়ার সাপ্লাই ভালো গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে খুবই দরকারী। 

অনেক কিছু জানলেন। আরও অনেক কিছু জানবার আছে। বিভিন্ন স্থান থেকে আরও নতুন তথ্য জানবার চেষ্টা করুন। কাজে দেবে। আমারও ইচ্ছে থাকলো আপনাদের সামনে নতুন কোন তথ্য হাজির করার। কিনবার সময় অভিজ্ঞ কাউকে সাথে রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। শুভেচ্ছা থাকলো। 

0 মন্তব্য(গুলি):

গ্রাফিক্স কার্ড কি ও এর কাজ ?

গ্রাফিক্স কার্ড কে অনেকে আমরা ভিডিও কার্ড, ভিডিও অ্যাডাপ্টার, গ্রাফিক্স এক্সেলেরেটর কার্ড, ডিসপ্লে অ্যাডাপ্টার ইত্যাদি নামে চিনি। এর কাজ , আমাদের কম্পিউটারের জন্য আউট পুট ইমেজ তৈরী করা। আর বর্তমানে বাজারে যে সমস্ত গ্রাফিক্স কার্ড আছে, তাতে আরো বাড়তি হিসেবে আছে, 3D সেন্স, ভিডিও ক্যাপচার, TV টিউনার, MPEG-2/MPEG-4 ডিকোডিং, TV Out সহ অনেক অনেক ফিচারস।একটি গ্রাফিক্স কার্ড কে দেখলেই এর প্রধান কম্পোনেন্ট গুলো দেখা যায়,
গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা GPU
ভিডিও বায়োস।
ভিডিও মেমোরি।
র‍্যাম ডিএসি বা রেন্ডম এক্সেস মেমোরি ডিজিটাল টু এনালগ কনভার্টার।

একটি উন্নত্মানের গ্রাফিক্স কার্ড

গ্রাফিক্স কার্ড কেনার পূর্বে যা যা দেখে নেবেনঃ
পিসিআই ভার্সন : আপনার মাদারবোর্ড এর স্লট কোনটি সেটি দেখে কিনুন।
ট্রানজিস্টর সংখ্যা : কার্ডে যত বেশি ট্রানজিস্টর, নয়েজ লেভেল তত কম। ফলে ভিডিও ভালোভাবে ফিল্টার হবে। বিষটির প্রতি লক্ষ রাখুন।
বাস স্পীড : বাস হল- প্রসেসর একবারে কতটুকু ডাটা নিয়ে কাজ করবে তার পরিমান। বাস বেশি হলে খুব দ্রুত আউটপুট পাবেন। কিন্তু বাস খুব বেশি হলে আবার পাওয়ার খরচের পরিমানটাও বেড়ে যাবে। উপরন্তু আপনার মনিটর ছোট হলে বাস অব্যাবহৃত থেকে যাবে।
ক্লক স্পীড : এটা যত ভালো এবং বেশি হবে তত ভাল মানের performance পাবেন।
মেমোরি : আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী কিনুন।
মেমরি টাইপ : DDR, DDR2, GDDR3… দেখে নিন। যত ভালো হবে, তত ভালো পারফরমেন্স পাবেন। অবশ্য GDDR5 এর দাম তুলনামূলক বেশি। আপনার মাদারবোর্ড এর RAM এর সাথে এটির কোন সম্পর্ক নেই।
সফটওয়্যার সাপোর্ট: আপনি যে অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করেন, সেই সিস্টেমে কার্ড এর ড্রাইভার পাবেন কিনা তা দেখে নিন।
ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স হল মাইক্রোসফট এর অনন্য একটি সংযোজন। নতুন নতুন হার্ডওয়্যার, ভিডিও এক্সিলারেশান, সর্বপরি নতুন গেমস চালানোর জন্য এটি অপরিহার্য। তাই গ্রাফিক্স কার্ড নতুন ভার্সন এর ডিরেক্ট এক্স সাপোর্ট করে কিনা দেখে নিন।
ম্যাক্স আউটপুট : বর্তমানে প্রায় সব কার্ডের আউটপুট ১৬০০ X ১২০০ থেকে ২৫৬০ X ১৬০০ এর মধ্যে। তাই এনিয়ে আপাতত চিন্তা না’করলেও চলবে।
পাওয়ার : কার্ডটি কত ওয়াট সাপ্লাইয়ের সেটি দেখুন। প্রয়োজনীয় পাওয়ার দিতে না পারলে কিন্তু কাজ করতে সমস্যা হতে পারে। সাধারনত ৪০০ থেকে ৮০০ ওয়াট দরকার হয়।


বাজারে সাধারনত বিভিন্ন দাম ও স্পেসিফিকেশনের গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায় ।নিচের ভিডিও টিতে বর্তমান বাজারের কিছু গ্রাফিক্স কার্ডের ফিচার ও দাম দেয়া হলঃ

উন্নত মানের গ্রাফিক্স কার্ড কেনার জন্য আপনি যেতে পারেন  
কম্পিউটার সোর্স  বা  রায়ান্স কম্পিউটারে


আমি পরবর্তী পোস্টে গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে হলে আপনাকে যা করতে হবে তা নিয়ে পোস্ট করব।

0 মন্তব্য(গুলি):